কেরালায় নারী শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা যাবে না

কেরালায় নারী শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা যাবে না, নারী শিক্ষকদের অবশ্যই শাড়ি পরতে হবে।

কেরালার কোডুঙ্গাল্লুরের এক অধ্যাপক এমন প্রথা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। শুধু তিনিই নন,

আরও কয়েকজন মহিলা শিক্ষকও শাড়ি পরার নিয়মে আপত্তি জানিয়েছেন। এসব অভিযোগ ও আপত্তির

পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের কেরালা রাজ্য এই প্রথা বন্ধের পদক্ষেপ নিয়েছে। খবর এনডিটিভির।শুক্রবার

রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী আর বিন্দু বলেছিলেন যে এটি কেরালার অগ্রগতির বিরুদ্ধে। কে কী পরবে তা নির্ভর

করে তার ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ওপর। উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরও এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।

কেরালার উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী বিন্দু বলেছেন, পোশাকের সমালোচনা বা অন্যের ব্যক্তিগত পছন্দে হস্তক্ষেপ করার অধিকার

কারও নেই।

আরও নতুন নিউস পেতে আমাদের সাইট:ukhealthz.xyz

কেরালায় নারী শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা যাবে না

সবাই যার যার পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরবে।এবং বিন্দু যোগ করেছেন যে কেরালার শিক্ষকদের তাদের উপযুক্ত পোশাক পরার অধিকার রয়েছে। মহিলা শিক্ষকদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা কেরালার প্রগতিশীলতার বিরুদ্ধে।শিক্ষামন্ত্রী আর বিন্দু ত্রিশুরের কেরালা ভার্মা কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। তিনি জানান, এক সময় তিনি নিয়মিত চুড়িও পরতেন। তিনি বলেন, পোশাক পরা ব্যক্তিগত বিষয়। অন্যের ব্যক্তিগত পছন্দের সমালোচনা বা হস্তক্ষেপ করার অধিকার কারো নেই।মন্ত্রী আর বিন্দু আরও বলেছেন যে ৯ মে, ২০১৪-এ কেরালা সরকার শিক্ষকদের শাড়ি পরার বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। তা সত্ত্বেও রাজ্যের বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মহিলাদের শাড়ি পরতে বাধ্য করা হচ্ছে।

এজন্য উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে নতুন

প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।ভারতের মধ্যপ্রদেশে আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে একটি উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে যোগ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফর মাত্র চার ঘণ্টার। এই সফরের আয়োজনে রাজ্য সরকার ২৩ কোটি টাকা খরচ করতে চলেছে। খবর ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির।১৫ নভেম্বর মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালে ‘আদিবাসী গর্ব দিবস’ অনুষ্ঠিত হবে। আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধা লর্ড বিরসা মুন্ডা ও আদিবাসী মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে সপ্তাহব্যাপী এ উৎসব চলবে। মধ্যপ্রদেশ ছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারও ১৫ থেকে ২২ নভেম্বর সারা দেশে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।আদিবাসী গর্ব দিবস উপলক্ষে ভোপালের জাম্বোরি ময়দানে মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। ১৫ নভেম্বর সেখানে উপস্থিত থাকবেন মোদি।

যদিও তাঁর সফর চার ঘণ্টার তবে

তিনি মঞ্চে থাকবেন ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। এবং রাজ্য সরকার যে ২৩ কোটি টাকা খরচ করেছে, তার মধ্যে মাত্র ১৩ কোটি টাকা খরচ হবে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকেদের জাম্বোরি ময়দানে আনার জন্য।এনডিটিভি জানায়, উৎসবের দিন মধ্যপ্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দুই লাখ আদিবাসী উপস্থিত থাকবেন। সে কথা মাথায় রেখে ব্যবস্থাও করা হয়েছে। জাম্বুরি ময়দান উপজাতীয় কিংবদন্তি নেতাদের প্রতিকৃতি এবং আদিবাসীদের শিল্পকর্ম দিয়ে সজ্জিত করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানটি সফল করতে তিন শতাধিক কর্মী এক সপ্তাহ ধরে কাজ করছেন। তৈরি করা হয়েছে বিশাল প্যান্ডেল।অনুষ্ঠানে ৫২ জেলার মানুষ উপস্থিত থাকবেন। তাদের বাসস্থান ও যাতায়াতের খরচ ধরা হয়েছে ১২ কোটি টাকার বেশি। পাঁচটি গম্বুজ নির্মাণ, তাঁবু, সাজসজ্জা ও প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি টাকার বেশি।মধ্যপ্রদেশে আদিবাসীদের জন্য সংরক্ষিত ৪৬ টি আসন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button